Skip to content

বিজ্ঞানীরা দ্বীপে ৫১টি কাকাপো ছেড়েছিলো। ৩০ বছর পর যা হলো বিশ্ব হতবাক! Kakapo Parrot

By সপ্তক · more summaries from this channel

5 min video·bn··148036 views

Summary

কাকাপো, পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত ও বিপন্ন টিয়া পাখিগুলোর মধ্যে অন্যতম, যার বিলুপ্তি ঠেকাতে নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে গবেষণা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এর প্রজনন রহস্য উন্মোচন করে এবং এর সংখ্যা বৃদ্ধিতে সফল হন।

Key Points

  • কাকাপো পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত ও ভারী টিয়া পাখি, যা উড়তে পারে না, এর শরীর থেকে বিশেষ গন্ধ বের হয় এবং এটি একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে বিপন্ন পাখিদের একটি ছিল। 
  • মাত্র কয়েক দশক আগেও পুরো পৃথিবীতে মাত্র ৫১টি কাকাপো বেঁচে ছিল, যার ফলে নিউজিল্যান্ড সরকার তাদের শিকারীমুক্ত দূরবর্তী দ্বীপে স্থানান্তরিত করে। 
  • প্রাথমিক সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় কাকাপো দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে ব্যর্থ হয়, কারণ ইঁদুর ডিম নষ্ট করত এবং শিকারী দূর হওয়ার পরও তারা ডিম পাড়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল। 
  • লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটিতে চলা শিকারী না থাকায় কাকাপো বিপদ দেখলে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে, যা পরে মানুষ দ্বারা আনা শিকারী প্রাণীদের কাছে তাদের সহজ শিকারে পরিণত করে। 
  • বহু বছর গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে কাকাপোর প্রজনন সম্পূর্ণভাবে রিমু নামক গাছের ফলের উপর নির্ভরশীল, যা ডিমের খোলস তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি থ্রি সরবরাহ করে। 
  • কাকাপোর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং একসময় ১০০ ও পরে ১৫০ অতিক্রম করে, যা সংরক্ষণ প্রচেষ্টার একটি বড় সাফল্য। 
  • রিমু ফলের প্রাচুর্য এবং স্ত্রী কাকাপোর খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বিজ্ঞানীরা পুরুষ ও মেয়ে ছানার অনুপাত প্রায় ৫০-৫০ শতাংশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন, যা প্রজনন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। 
  • ডিম পাড়ার পর ইনকিউবেটরে নিয়ে যাওয়া এবং বাসায় থ্রিডি প্রিন্ট করা নকল ডিম রাখার মতো উন্নত কৌশল ব্যবহার করে মা পাখিকে দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে এবং দ্বিতীয়বার ডিম দিতে উৎসাহিত করা হয়। 
  • তবে, অস্পারজিলোসিস নামক ছত্রাকজনিত রোগ এবং নিরাপদ বেড়া থেকে পালানোর মতো নতুন চ্যালেঞ্জগুলি কাকাপো সংরক্ষণে এখনও বিদ্যমান। 
  • পান্ডার মতো কাকাপোকেও বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করতে প্রতিবছর কয়েকশত মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়, যা বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণে বৈশ্বিক অঙ্গীকারের প্রমাণ। 
Copy All
Share Link
Share as image
বিজ্ঞানীরা দ্বীপে ৫১টি কাকাপো ছেড়েছিলো। ৩০ বছর পর যা হলো বিশ্ব হতবাক! Kakapo Parrot

বিজ্ঞানীরা দ্বীপে ৫১টি কাকাপো ছেড়েছিলো। ৩০ বছর পর যা হলো বিশ্ব হতবাক! Kakapo Parrot

কাকাপো, পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত ও বিপন্ন টিয়া পাখিগুলোর মধ্যে অন্যতম, যার বিলুপ্তি ঠেকাতে নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে গবেষণা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এর প্রজনন রহস্য উন্মোচন করে এবং এর সংখ্যা বৃদ্ধিতে সফল হন।

Key Points

কাকাপো পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত ও ভারী টিয়া পাখি, যা উড়তে পারে না, এর শরীর থেকে বিশেষ গন্ধ বের হয় এবং এটি একসময় পৃথিবীর সবচেয়ে বিপন্ন পাখিদের একটি ছিল।
মাত্র কয়েক দশক আগেও পুরো পৃথিবীতে মাত্র ৫১টি কাকাপো বেঁচে ছিল, যার ফলে নিউজিল্যান্ড সরকার তাদের শিকারীমুক্ত দূরবর্তী দ্বীপে স্থানান্তরিত করে।
প্রাথমিক সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় কাকাপো দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে ব্যর্থ হয়, কারণ ইঁদুর ডিম নষ্ট করত এবং শিকারী দূর হওয়ার পরও তারা ডিম পাড়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল।
লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটিতে চলা শিকারী না থাকায় কাকাপো বিপদ দেখলে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলে, যা পরে মানুষ দ্বারা আনা শিকারী প্রাণীদের কাছে তাদের সহজ শিকারে পরিণত করে।
বহু বছর গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে কাকাপোর প্রজনন সম্পূর্ণভাবে রিমু নামক গাছের ফলের উপর নির্ভরশীল, যা ডিমের খোলস তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি থ্রি সরবরাহ করে।
কাকাপোর সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং একসময় ১০০ ও পরে ১৫০ অতিক্রম করে, যা সংরক্ষণ প্রচেষ্টার একটি বড় সাফল্য।
রিমু ফলের প্রাচুর্য এবং স্ত্রী কাকাপোর খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে বিজ্ঞানীরা পুরুষ ও মেয়ে ছানার অনুপাত প্রায় ৫০-৫০ শতাংশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন, যা প্রজনন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
ডিম পাড়ার পর ইনকিউবেটরে নিয়ে যাওয়া এবং বাসায় থ্রিডি প্রিন্ট করা নকল ডিম রাখার মতো উন্নত কৌশল ব্যবহার করে মা পাখিকে দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে এবং দ্বিতীয়বার ডিম দিতে উৎসাহিত করা হয়।
তবে, অস্পারজিলোসিস নামক ছত্রাকজনিত রোগ এবং নিরাপদ বেড়া থেকে পালানোর মতো নতুন চ্যালেঞ্জগুলি কাকাপো সংরক্ষণে এখনও বিদ্যমান।
পান্ডার মতো কাকাপোকেও বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করতে প্রতিবছর কয়েকশত মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়, যা বিপন্ন প্রজাতির সংরক্ষণে বৈশ্বিক অঙ্গীকারের প্রমাণ।
Summarize any YouTube video
Summarizer.tube
Bookmark

More Resources

Get key points from any YouTube video in seconds

More Summaries